jump to navigation

বাম পা দেন জুন 2, 2007

Posted by jhorohowa in Uncategorized.
add a comment

যারা নিয়মিত বাসে উঠেন তাদের কাছে এই ডায়লগটা খুবই পরিচিত। নামার সময় হেলপার বলবে ‘বাম পা দিয়া নামেন’। আমরাও বাম পা দিয়া সহি সালামতে বাস থেকে নামি। ঢাকা শহরে বাসে উঠা আর নামা যে কি এডভেঞ্চার এটা দেশবাসীর অজানা নয়। যখন কাউন্টার বাস সার্ভিস শুরু হলো তখন মনে হয়েছিল এবার বোধহয় শান্তিতে বাসে চলাচল করা যাবে। কিন্তু পরে দেখা গেলো এই বাস গুলোতেও লোকাল বাসের মত ভীড় লেগে আছে। বাসে উঠতে ডান পা আর নামতে বাম পা এই ছন্দ মেলাতেই আমাদের হালুয়া টাইট হয়ে যায়। আমি যে বাস সার্ভিসে যাতায়াত করি সে বাসেরই এক রেগুলার মহিলা যাত্রী যখন তার গন্তবে নামতে যাচ্ছিল তখন হেলপার প্রতিদিনের মত বলল বাম পা দিয়ে নামেন, ভদ্রমহিলা মনে হয় তা করতে পারেননি। হেলপার হাসি মুখে বলল- খালাম্মা কোন দিনই বাম পা দিয়ে নামতে পারলো না !! আর নীচে দাড়িয়ে খালাম্মাও মিষ্টি হাসি দিয়ে হেলপারের কথায় সায় দিলেন।

[আসল কথা হলো :- বাস থেকে নামার সময় অবশ্যই বাম পা দিয়ে নামতে হবে]

 

প্রথম প্রকাশ : সামহোয়্যার ইন ব্লগ/ঝড়ো হাওয়া
                  জুলাই / ২০০৬ইং।

অদ্ভুত ব্যবধান 6 জুন 27, 2007

Posted by jhorohowa in Uncategorized.
add a comment

মানুষের জীবনে সংখ্যা নিয়ে অনেক ঘটনা থাকে। এই রকম ঘটনা আমারো আছে। তবে এটা কোন নিদিষ্ট সংখ্যা নিয়ে নয়, সংখ্যার ব্যবধান নিয়ে। আর এই ব্যবধান সংখ্যাটি হচ্ছে – 6। আমার খুব ছোটবেলার দুই বন্ধু এক জনের জন্মদিনের 6 দিন পরে অপর বন্ধুর জন্মদিন তার 6 দিন পরে আমার জন্মদিন, তার 6 দিন পরে আমার বাবা’র মৃতু দিন আর তার 6 দিন পরে আমার নানা’র মৃতু দিন। এর 6 দিন পরে এখন পর্যন্ত কোন উল্লেখযোগ্য ঘটনা হয় নাই। তাই মাঝে মাঝে আতঙ্কগ্রস্থ থাকি কি হবে ঐ দিনে?

প্রথম প্রকাশ : সামহোয়্যার ইন ব্লগ/ঝড়ো হাওয়া
জুন / ২০০৬ইং।

ড্রাইভার চাচা জুন 27, 2007

Posted by jhorohowa in Uncategorized.
add a comment

“আরে, যেইখানে কইছে সেখানেই নামাইতে হইবো নাকি? মেয়ে লোক হিল জুতা পরে (হাত দিয়ে জুতার হিলের সাইজ দেখিয়ে) চালু বাস থেইকা নামনের সময় হিল ভাইঙ্গা পইরা যাইতে পারে। দুর্ঘটনা কি কইয়া বইলা আসে। দশ কদম আগে সেফ জায়গায় নামায় দিলে অসুবিধা আছে। সবার হিতাহীত বুদ্ধি সমান না। ভালো কইরা বুঝাইয়া কইলেই হয়। গাড়ী চালাইয়া বুড়া হইছি এমনি এমনি হই নাই। হাতের পাঁচ আঙ্গুল সমান না।” এই কথা গুলো বাসের ড্রাইভার তার হেরপারকে বললো রাস্তার মাঝে একজন মহিলা যাত্রী কে নামানোর সময়।

মহিলা যাত্রী কে নামিয়ে বাস আবার চলতে শুরু করলো। কিছুটা পথ এগিয়েই আবার থেমে গেলো। সিগনাল না জ্যাম বুঝা গেল না।

“বড় বাপেরা যেখানে থাকে সেইখানে কোন ময়লা থাকে। আমরা ছোট বাপ ময়লা-জ্যাম লইয়া আছি। ঐ ট্রাফিক দুইটা খাড়াইয়া খাড়াইয়া প্যাচাল পারতাছে। সার্জেন ওয়ারলেস লইয়া তামশা দেখতাছে। রাস্তায় যেই প্যাচ লাগছে ছুটানের নাম নাই। এদিক কি দেখছ, ঐ দিক দেখ। বড় বাপের লাইগা নিউমার্কেট বাজার, বড় বড় মাছ আর আমারা গরীবের লেইগা পেচ-কাদার বাজার, ছোট ছোট মাছ।”

এক যাত্রী বলে উঠলো চাচা এতো চেতছেন কেন?
এদিকে আমার গন্তব্য এসে গেছে। আমি বাস থেকে নেমে গেলাম।

স্মৃতি : ০৬ এপ্রিল ২০০৬ইং।
[এটা আজ সকালের ঘটনা। বাস ড্রাইভারের কথাগুলো আমার কাছে বেশ ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে। যার কিছু অংশ এখানে লিখলাম।]

প্রথম প্রকাশ : সামহোয়্যার ইন ব্লগ/ঝড়ো হাওয়া
এপ্রিল / ২০০৬ইং।

বৃষ্টির সাথে তাল মিলিয়ে ঝড়ো হাওয়া জুন 27, 2007

Posted by jhorohowa in Uncategorized.
add a comment

কি বৃষ্টি না হলো সন্ধ্যা থেকে। অফিস থেকে বের হয়ে বাটে পড়ে গিয়েছি এটা বলবো না আমি আসলে বৃষ্টি দেখতেই বেরিয়েছিলাম। কেন জানি মনে হচ্ছিল কত দিন বৃষ্টি দেখি না। বৃষ্টির গতি ক্রমেই জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাঝে কিছুক্ষন আবার ছোট ছোট শিল পরলো। ছাউনির আড়ালে থেকে কোন লাভ হচ্ছে না দেখে আমি ছাতা ফুটিয়ে রাস্তায় নামলাম। রাস্তায় এক হাটুর উপর পানি। যখন গাড়ী যায় তখন সাগরের মত উথাল-পাথাল ঢেউ শুরু হয়। এই দৃশ্য যে মিস করেছে সে কখনোই বুঝবেনা রাস্তায় কিভাবে ঢেউ খেলা করে। ছাতার কল্যানে বৃষ্টির পানি থেকে আমার মাথাটা শুধু রক্ষা পেয়েছে। আমি বৃষ্টির সাথে তাল মিলিয়ে এক হাটু পানির মধ্যে দাড়িয়ে আছি।

স্মৃতি : 04 এপ্রিল 2006।

প্রথম প্রকাশ : সামহোয়্যার ইন ব্লগ/ঝড়ো হাওয়া
এপ্রিল / ২০০৬ইং।

ফর্মালিনযুক্ত মাছ ছাড়া আমার চলেই না !! জুন 27, 2007

Posted by jhorohowa in Uncategorized.
add a comment

এত দিন জানতাম ফর্মালিন দিয়ে মৃত দেহ সংরক্ষন করা হয়। বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছাত্র-ছাত্রীরা প্র্যাকটিক্যাল কশে ফর্মালিন মিশানো মৃত দেহ কাটাছেড়া করে। এখন সেই জানার সাথে নতুন জ্ঞান যোগ হয়েছে। মৃত মাছের দেহেও ফর্মালিন দেওয়া হয় যাতে আমরা সব সময় টাটকা-সজীব মাছ খেতে পারি। আমাদের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে মাছের আড়ৎদার, সুপার স্টোরের লোকজন মাছের দেহে ফর্মালিন মিশাচ্ছে। আর সেই ফর্মালিন যুক্ত সুস্বাধু মাছ আমাদের উপহার দিচ্ছে ক্যানসার, কিডনির বিভিন্ন জটিল রোগ সহ আরো কিছু ফ্রি ডিজিজ। যেহেতু ফ্রি আমাদের জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে তাই এগুলো আমাদের কাছে কোন সমস্যাই না।

প্রথম প্রকাশ : সামহোয়্যার ইন ব্লগ/ঝড়ো হাওয়া
মে / ২০০৬ইং।

রঙের ভুবন : রাঙ্গামাটি জুন 27, 2007

Posted by jhorohowa in Uncategorized.
add a comment

রাঙ্গামাটিতে প্রথম পা দিয়েই মনটা রঙ্গীন হয়ে গেলো। ঢাকা শহরের কৃত্রিম রঙ্গীন আর প্রকৃতির রঙ্গীন এর মধ্যে কত যে পার্থক্য তা বুঝতে পারলাম। হোটেল ডিগনিটি ‘র দুই রুম ভাড়া নিলাম। লেকের পাড়ে এই হোটেলের জানালা দিয়ে তাকালে রাঙ্গামাটির বিশাল নৈস্বর্গের একটা অংশ দেখা যায়। রাঙ্গামাটি শহরটা ছোট তবে বেশ পরিষ্কার। সন্ধ্যার পর রাস্তায় লোকজন কমে যায়। আমরা অবশ্য রাত 12 টা পযর্ন্ত রাস্তায় ঘোরাঘুরি করেছি। প্রথম দিনতো রাত 9টার দিকে হোটেলে খেতে এসে দেখি সব বন্ধ, তারপর হোটেল মালিককে অনুরোধ করে রান্নার ব্যবস্থা করানো হলো। হোটেল মালিক আমাদের জানিয়ে দিলেন এরপর রাত 8 টার আগে খেতে আসবেন।

রাঙ্গামাটিতে বেড়ানোর সবচেয়ে আনন্দ হলো লেকে বোট ভাড়া করে সারা দিনের জন্য বেড়িয়ে যাওয়া। শান্ত এই লেকের অপরিসীম সৌন্দর্য সবাইকেই মুগ্ধ করবে। লেকের মাঝে জেগে আছে ছোট-বড় পাহাড়, কোন কোন পাহাড় লোক বসতি শুন্য আবার কোন পাহাড়ে 2/3 টি ঘর আছে। একটু গভীরে গেলে লক্ষ্য করবেন পাহাড়ী ঝর্না। ইচ্ছে করলে যে কোন পাহাড়ে নেমে যেতে পারবেন। আমারা এখানকার সুভলং বাজার, পেদা টিং টিং, পর্যটন এই কয়টি বিচ্ছিন্ন পাহাড়ে গিয়েছিলাম, যার বর্ননা অন্য কোন লেখায় দিব।

এখানে আছে বিশাল বৌদ্ধ মন্দির আর রাজার বাড়ী। ঐ স্থানে যেতে আমাদের সন্ধ্যার পার হয়ে গেলো। রাজার বাড়ীর সামনে আছে বিশাল সিংহ মূর্তি আর কামান। বিশাল এলাকা নিয়ে তৈরী হয়েছে এই বৌদ্ধ মন্দির। শত বছরের পুরানো ঐতিহ্য একেবারে কাছ থেকে দেখে এলাম। অনেক রাত হয়ে গিয়েছে তাই চলে এলাম নৌকায়। নেমে পড়লাম হোটেলের পাশে এক স’মিলে।

এখানে এসে বেশ কয়েকজন উপজাতির সাথে পরিচয় হয়েছে। এদের একজন উপেন চাকমার ছেলে নিদেন চাকমা (পিন্টু), একটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকার রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি জ্যোতি চাকমা, ফ্রাংকো। আমারা সবাই হোটেলে আড্ডা দিলাম ঘন্টা খানেক। তাদের বন্ধুত্বপূর্ন আচরনে আমরা মুগ্ধ হোলাম। ফ্রাংকো তো আমাদের ঢাকায় আসার টিকেট কেটে দিলো এবং এমন ব্যবস্থা করে দিলো যাতে আমাদের আর বাস স্টান্ডে যেতে না হয়। আমাদের হোটেলের সামনে থেকে বাস আমাদের তুলে নিয়ে গেলো।

প্রথম প্রকাশ : সামহোয়্যার ইন ব্লগ/ঝড়ো হাওয়া
মে / ২০০৬ইং।

Hello world! ফেব্রুয়ারি 10, 2007

Posted by jhorohowa in Uncategorized.
2 comments

Welcome to WordPress.com. This is your first post. Edit or delete it and start blogging!

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.